সনদ পেলো ‘ইউনেট’ প্রথম ব্যাচের উত্তীর্ণরা
প্রথম ব্যাচের ৭০ জন তরুণকে সনদ দিলো দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন ও নেটওয়ার্কিং তৈরির বাংলাদেশী প্লাটফর্ম ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক ‘ইউনেট’। রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে গত রবিবার রাতে হাইব্রিড মডেলে পরিচালিত প্লাটফর্মটি নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম ‘কর্পোরেট নেভিগেটর’-এর প্রথম ব্যাচের উত্তীর্ণ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ করে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও টেক ইভেনজেলিষ্ট মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল ও মাহির আসেফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক।
এসময় ইউনেট কর্পোরেট নেভিগেটর-এর সফলতার পেছনের সহযোগী প্রশিক্ষক এবং বিভিন্ন খ্যাতিমান কর্পোরেট পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইউনেট কর্পোরেট নেভিগেটরদের প্রথম ব্যাচে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নিয়েছেন কে এম হাসান রিপন (ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট), ড. সৈয়দুল আশরাফ কুশল (লাইফস্প্রিং), একেএম মনির হোসেন (বাংলাক্যাট গ্রুপ), প্রফেসর এস এম আরিফুজ্জামান (কাজী কনসালট্যান্টস), কাজী নুরুস সোফা (বিকাশ লিমিটেড), আলেয়া ফেরদৌসী (উপায় লিমিটেড), সোলায়মান আহমেদ জিসান (পাবলিক স্পিকিং প্রফেশনাল), জাফির শাফি চৌধুরী (বন্ডস্টেইন টেকনোলজিস লিমিটেড), নিয়াজ আহমেদ (কর্পোরেট আস্ক), মোঃ শাহরিয়ার ইমরান (এনসিসি ব্যাংক) এবং ইব্রাহিম খলিল (এসএসএল ওয়্যারলেস)।
ইউনেট উদ্যোক্তারা জানান, মিয়াকির পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত ইউনেট একটি বাংলাদেশভিত্তিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে ব্যবধান হ্রাস করা। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রয়োজনীয় সব সফট স্কিল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের আগামীর জন্য প্রস্তুত করে সফল হবার জন্য, তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতা জানানো, চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহযোগিতা, সর্বোপরি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কাজ করে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা ইউনেটের মূল লক্ষ্য। লক্ষ্য পূরণে ইউনেটের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১০ লক্ষ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাকরি ও উদ্যোক্তা হিসেবে ক্ষমতায়িত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা কাজ করছি।”





